শতফুল সঙ্গীত বিদ্যালয়

স্থাপিত:

“সৃজনশীল মানুষ তৈরী করাই আমাদের লক্ষ্য”

শতফুল বাংলাদেশ এর বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের মধ্যে শতফুল সঙ্গীত বিদ্যালয় অন্যতম। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে শুরু করে আজ অব্দি মাননীয় নির্বাহী পরিচালক মহোদয় জনাব মো: নাজিম উদ্দীন মোল্লা এঁর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ তত্তাবধানে শতফুল বাংলাদেশ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক চর্চা অব্যাহত রেখেছে চলেছে এবং ভবিষ্যতেও রাখবে। বিশেষত বিভিন্ন জাতীয় দিবসে সঙ্গীত পরিবেশন, মনীষিদের জন্ম ও মৃত্যু দিবসে ঐ মনীষী স্মরণে সঙ্গীতানুষ্ঠান পালন, এছাড়াও ছোট বড় ঘরোয়া বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশনা ও গুরু পরম্পরায় সঙ্গীত শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে দেশীয় সংস্কৃতি তথা সঙ্গীতের প্রচার ও প্রসারে শতফুল সঙ্গীত বিদ্যালয়ের রয়েছে বিশেষ অবদান। ইতিমধ্যে শতফুল সঙ্গীত বিদ্যালয় বেশ কিছু পেশাদার শিল্পী তৈরী করতে সক্ষম হয়েছে যারা বর্তমানে বাংলাদেশ বেতার রাজশাহী ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের লোকসঙ্গীত, নজরুল ইত্যাদি বিষয়ের নিয়মিত শিল্পী। শতফুল সঙ্গীত বিদ্যালয়ের রয়েছে সঙ্গীত বিষয়ে বিশেষ দক্ষতা ও যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষকমন্ডলী যারা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মত সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ হতে বিশেষত সঙ্গীত বিষয়ে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করে দক্ষতার সাথে সঙ্গীত শিক্ষা প্রদান করে আসছেন।

আমাদের কার্যক্রম:

শিক্ষক মন্ডলী:


[wptb id=994]

শিল্পীগণ:

সঙ্গীত শিক্ষার ধরণ:

সঙ্গীত শিক্ষা প্রদানে শতফুল সঙ্গীত বিদ্যালয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিক্ষণ পদ্ধতি অনুসরণ করে থাকে। কারণ  শাস্ত্রীয় সঙ্গীতই পারে একজন শিক্ষার্থীকে সাঙ্গীতীয় সঠিক শিক্ষায় উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে। এক্ষেত্রে ব্যবহারিক ও তত্বীয় দুই বিষয়ের উপরেই সমান গুরুত্ব প্রদান করা হয়। একজন শিক্ষার্থী কন্ঠ ও যন্ত্র উভয় বিষয়ে শিক্ষা লাভ করতে পারে। সেক্ষেত্রে সে বিষয়ের তত্বীয় ও ব্যবহারিক দিকে সমান গুরুত্ব প্রদান করা হয়। শতফুল সঙ্গীত বিদ্যালয়ে বর্তমানে কন্ঠসঙ্গীত (শাস্ত্রীয়সঙ্গীত, লোকসঙ্গীত, আধুনিকসঙ্গীত, নজরুলসঙ্গীত, রবীন্দ্রসঙ্গীত), যন্ত্রসঙ্গীত (হারমোনিয়াম, তবলা, বাঁশি) প্রভৃতি বিষয়ে শিক্ষা প্রদান অব্যাহত রয়েছে।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:

শতফুল সঙ্গীত বিদ্যালয়ের সর্বদা লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য গড্ডলিকা প্রবাহে গা না ভাসিয়ে মূল ধারারপাশাপাশি তাকে একজন শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতেও আমরা আন্তরিক। সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে সঠিক সৃজনশীল সাঙ্গীতীয় ব্যক্তি তৈরী করা। অর্থাৎ নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে বাংলা ও বাঙালী সংস্কৃতি ধারণ ও প্রসার। বর্তমোনে সঙ্গীত শিক্ষা ও চর্চার নামে কিছু অপসংস্কৃতির তৈরী হয়েছে। যাদের উদ্দেশ্য খুব জলদি বিখ্যাত হওয়া। আমরা এটির সম্পূর্ণ বিরোধী। একটি বাচ্চা যেমন তার শিক্ষাজীবন ক,খ, অ, আ ইত্যাদি হাতে ধরে শিখে অনুশীলন করে আস্তে আস্তে পড়তে ও বলতে শেখে তেমনি একজন ব্যক্তিকে সঠিক সাংস্কৃতিক ও সাঙ্গীতিক শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে তাকে সাংস্কৃতিক কর্মী হিসেবে তার মূল্যবোধ তৈরী করে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। পাশাপাশি তাকে একজন শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতেও আমরা আন্তরিক।

যোগাযোগ:

মোবাইল নং: ০১৭৩৮-২৯২০৭৪

ইমেইল: shataphoolmusicschool@gmail.com

সংগীত পাঠ্যসূচী (প্রাথমিক)

মেয়াদঃ ১ বছর

তত্ত্বীয়:

(ক) বাংলা লঘু সংগীতের বিভিন্ন ধারা সম্পর্কে আলোচনা (তুষার মাহমুদ)
(খ) সংগীত কী ? গীত, বাদ্য ও নৃত্যের পরিচয় (তুষার মাহমুদ)
(গ) স্বরের প্রকারভেদ (তুষার মাহমুদ)
(ঘ) সপ্তক সম্পর্কে ধারণা (নীলা প্রামানিক)
(ঙ) কয়েকটি তালের শাস্ত্রীয় পরিচয় (দাদ্রা, কাহারবা, ত্রিতাল, তেওড়া, ঝাঁপ, রূপক) (পিয়াস কুমার)
(চ) নিম্নোক্ত বাদ্যযন্ত্রের সাধারণ পরিচয়:

(১) হারমোনিয়াম (নীলা প্রামানিক)
(২) তানপুরা (তুষার মাহমুদ)
(৩) তবলা (পিয়াস কুমার)
(৪) বাঁশি (সাইফুল ইসলাম)
(৫) দোতারা (আইয়ুব আলী)

ব্যবহারিকঃ


১। শাস্ত্রীয় সংগীত:
(ক) ইমন, বিলাবল ও ভৈরব রাগের লগীত (নীলা প্রামানিক ২টি, তুষার মাহমুদ ১টি)
(খ) পাল্টাভ্যাস ২৫ টি (১০+৫+৫+৫)

২। লঘু সংগীত:
(ক) ছড়াগান (২টি) (পিয়াস কুমার)
(খ) নজরুলসংগীত (৩টি) (নীলা প্রামানিক ২টি, তুষার মাহমুদ ১টি)
(গ) রবীন্দ্রসংগীত (৩টি) (নীলা প্রামানিক ১টি, তুষার মাহমুদ ২টি)
(ঘ) দেশাত্মবোধক গান (৩টি) (পিয়াস কুমার)
(ঙ) লোকসংগীত (লালন, ভাওয়াইয়া, পল্লীগীতি ২টি করে) (শিউলী আক্তার)
(চ) দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের গান (২টি) (নীলা প্রামানিক ১টি, তুষার মাহমুদ ১টি)
(ছ) রজনীকান্ত সেনের গান (২টি) (নীলা প্রামানিক ১টি, তুষার মাহমুদ ১টি)
(জ) অতুলপ্রসাদ সেনের গান (২টি) (নীলা প্রামানিক ১টি, তুষার মাহমুদ ১টি)

৩। তাল পরিচয়ঃ (পিয়াস কুমার)

(ক) দাদ্রা (খ) কাহারবা
(গ) ত্রিতাল (ঘ) তেওড়া
(ঙ) ঝাঁপ (চ) রূপক

৪। বাদ্যযন্ত্রঃ

(ক) হারমোনিয়াম (নীলা প্রামানিক, তুষার মাহমুদ, শিউলী আক্তার)
(খ) তবলা (পিয়াস কুমার)
(গ) বাঁশি (সাইফুল)

সংগীত পাঠ্যসূচী (মাধ্যমিক)

মেয়াদঃ ১ বছর

তত্ত্বীয়:
 
(ক) ঠাট ও রাগ পরিচয় এবং সাদৃশ্য- বৈসাদৃশ্য
(খ) হিন্দুস্তানী সংগীত পদ্ধতির ১০ টি ঠাট ও ১০ টি জনক রাগের পরিচয়
(গ) ধ্রæপদ, খেয়াল, ঠুমরী সম্পর্কে আলোচনা ও ব্যবহৃত যন্ত্রাদির পরিচয়
(ঘ) জীবনী: 
১. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
৩. রজনীকান্ত সেন
৪. অতুলপ্রসাদ সেন
৫. কাজী নজরুল ইসলাম
৬. আব্বাস উদ্দীন আহমদ
৭. লালন ফকির
৮. শাহ্ আব্দুল করিম
৯. রাধারমণ দত্ত
১০. আব্দুল আলীম
(ঙ) কয়েকটি তালের শাস্ত্রীয় পরিচয়:
১. একতাল
২. চৌতাল
৩. সুরফাঁক তাল
৪. রাবীন্দ্রিক তাল (অর্ধঝাঁপ, ষষ্ঠী, রূপকড়া, নবতাল, একাদশী, নবপঞ্চ)  
 
ব্যবহারিকঃ
 
(ক) ধ্রুপদ, খেয়াল (ইমন, বিলাবল, ভৈরব) ও ঠুমরি শিখন
(খ) হারমোনিয়াম, তবলা, বাঁশি ও তানপুরা  বাদন 
 
পঞ্চকবির গান:
 
(ক) রবীন্দ্রসংগীত ৩ টি (ধ্রæপদাঙ্গের ১ টি)
(খ) নজরুলসংগীত ৩ টি (খেয়াল অঙ্গের ১ টি)
(গ) অতুলপ্রসাদ সেন ২ টি
(ঘ) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় এর গান ২ টি,
(ঙ) রজনীকান্ত সেন এর গান ২ টি
 
লোকসংগীত: ৩টি করে গান
 
(ক) লালন গীতি
(খ) হাসন রাজার গান 
(গ) রাধারমন দত্তের গান 
(ঘ) শাহ্ আব্দুল করিমের গান
(চ) জসীম উদ্দীনের গান
(ছ) ভাওয়াইয়া 
(জ) ভাটিয়ালী